১৮৫৪ সালে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ফ্র্যাঙ্কলিন পিয়ার্সের উদ্দেশে সিয়াটেলের এই জিজ্ঞাসা আজ আবার নতুন করে প্রতিধ্বনিত হয়ে চলেছে প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ আদিবাসীদের জল জমি আর জঙ্গলে। তৃতীয় বিশ্বে যখন একশো চল্লিশ কোটি চাষির বীজের ভাড়ার ধ্বংস হওয়ার হাহাকার ওঠে— তখন ধুলোমাটির কবিতায় ভূমিজ আত্মজনের জন্য আন্তরিক উচ্চারণে ধ্বনিত হয় ‘জিয়ন্ত ফসিলের প্রতিবাদ'। ‘উখানে তেঁতুলতলাতে লীলকর সাহেবকে জলজ্যান্ত পুঁতে দিয়ে/ ই তল্লাটে লীল চাষ রুখেছিলম আমরা/ আর আজ ই স্বাধীন মুলুকে মাটির হক তরা লিজেরা রাখতে লারছিস
যাতে বাইরে থেকে দেখে কেউ তা বুঝতে না পারে। মা-বাবার অতি আদরের একমাত্র মেয়ে সে। এই মেয়ের জীবনে ঘটে এক ভুলের ঘটনা। অতি আকর্ষণীয় এক যুবক ঘটনাক্রমে এসে আশ্রয় নেয় তাদের বাড়িতে।মেয়েটিকে সে প্রেমের জালে জড়ায়। মেয়েটি যখন যুবকের প্রেমে প্রায় পাগল তখন যুবকটি উধাও হয়ে যায়। মেয়েটির গলার কাছটি পুড়ে যাওয়ার মতোই তার হৃদয়টিও পুড়ে খাক হয়ে যায়। ‘ভুল মানবজীবনে অবশ্যম্ভাবী। ভুল করেনি এমন মানুষ বিরল। এই উপন্যাসের মেয়েটিও করেছিল। কিন্তু এই ভুলের খেসারত কি তাকে সারাজীবন বইতে হবে
মনস্ক পাঠক ও গবেষকদের কাছে বইটি বিশেষভাবে গৃহীত হবে
আর সময়ই বা কাকে উত্তর দেয়
তবে সেই মিছিলের মুখ হলেন চে গেভারা। মৃত্যুকে দেখেছেন কাছ থেকে
মৎস্যকন্যা জয় গোস্বামী ১৮৫৪ সালে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ফ্র্যাঙ্কলিনMatsyakanya : : 128 , , , , , , , , , , , , (cm) : 14 (l) X 22 (b) X 1. 4 (h)