কীভাবেই বা প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে আগল খুলে হুড়মুড়িয়ে বেরিয়ে এসে ভাষা পায় প্রতিবাদ
কথা বলার ভঙ্গিতে উৎপলকুমার বসুর কাব্য সংকেত ধরা পড়েছে ছোটো ছোটো এইসব লেখাগুলিতে। সব মিলিয়ে কবিকেও। এই বই তাই শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে উৎপলকুমার বসু-র কবিতায় প্রবেশের এক সদর দরজা।
রাঢ়ের মাটি আর মানুষের আখ্যান নিয়ে 'যিখানে মাটি লালে লাল'। ‘সেই মানুষ যারা একদিন দাঁতে দাঁত দিয়ে কাঁধে কাঁধ দিয়ে পাথরের পারা গতর লিয়ে বুনা মাটির দেশে দেশে পাহাড়ে পাহাড়ে বনে বনে গোরা পল্টনের সায়েবদের কাছে ঝিঙ্গাফুলা বাঘের পারা গাঙাই বলেছিল ‘দেলায়া বিরিদ পে দেলায়া তিন পে’ শালা ই দ্যাশ আমার ই মাটি আমার তরা আমার মাকে কাড়েছিস আমরা তাদের জিউ লিয়ে ছাড়ব। লাল ধুলোর রুক্ষ কাকুরে মাটিতে মিশে থাকে এরকমই এক অনতিক্রম্য পৌরুষ। এ মাটির পরতে পরতে জমে থাকে অপরাজেয় জীবন সংগ্রামের এক দুর্দৰ্য্য জেদ
এই বই সেই গোত্রের নয়। বস্তুত
আর কাড়া- নাকাড়ার প্রতিরোধে গর্জে ওঠে শ্রমজীবী মানুষের বজ্র নির্ঘোষ—“হুল মাহা-হো
নাট্যলোকে রবীন্দ্রনাথ জ্যোতির্ময় দত্ত কীভাবেই বা প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে আগলNatyaloke Rabindranath : : 224 , , , , , , , , (cm) : 14 (l) X 21. 5 (b) X 2 (h)